কম খরচে ঘুরে আসুন ফুকেট

ভ্রমণ করতে গেলে খরচ হবে, এটা আমরা সবাই ধরে নেই। আপনার ভ্রমণের স্থানটি যত বিখ্যাত হবে সেখানকার খরচ তত বেশী হবে, এটাই নিয়ম। সাধারণত যেসব অভিজ্ঞতা (যেমন স্কুবা ডাইভিং, ফ্রি ফল, স্নরকেলিং) যত বেশী মজার, সেগুলোর টিকেটের দাম বা প্রবেশ মূল্য তত বেশী।
কম খরচেও ফুকেট ভ্রমণ করার অনেক উপায় আছে-
তবে এটা ঠিক বেশী খরচের পাশাপাশি এসমস্ত জায়গায় বেশ কিছু উপভোগ্য বিষয় ফ্রি তেই পেয়ে যাবেন। অনেকেই আছেন যারা ভ্রমণে গিয়ে যথা সম্ভব কম খরচ করার চেষ্টা করে থাকেন। মুলত তাঁদের জন্যেই আমাদের আজকের ব্লগ। উদাহরন হিসেবে ফুকেটের কথা বলা যেতে পারে, যেটা আপনার আমার প্রায় সবার কাছেই অনেক প্রিয় গন্তব্য। কম বাজেটেও ফুকেটের মত জায়গায় অনেক বর্ণিল এক গুচ্ছ অভিজ্ঞতা নিয়ে ফিরে আসা সম্ভব।
আজকে আমরা বলব এমন কিছু বিষয়ের কথা যেগুলো আপনারা ফুকেট ভ্রমণ এ গেলে উপভোগ করতে পারবে, এবং সবচাইতে মজার বিষয় হল, এগুলো উপভোগ করতে আপনাকে একটি টাকাও বাড়তি খরচ করতে হবে না। শুধু মাত্র যাতায়াত এবং খাবার বাবদ খরচ হবে।
কম খরচে ফুকেট ভ্রমণের কিছু উপায়
ফুকেটের সেরা অভিজ্ঞতা গুলোর মধ্যে অবশ্যই তাঁদের সৈকত গুলোর নাম থাকবে। এছাড়া ফুকেট ভ্রমণ যেন অসম্পূর্ণ থেকে যাবে। সীমাবদ্ধ কিছু প্রাইভেট সৈকত বাদে অন্য সবগুলো সৈকতই জন সাধারণের জন্য উম্মুক্ত। এই সব সৈকতগুলোতে ঘুরে বেড়াতে বা অলস সময় কাটাতে কোন রকম টাকা পয়সা লাগবে না। সমগ্র সৈকত জুড়ে ছড়ানো আছে অনেক ছাতা যুক্ত ডিভান যেখানে শুয়ে বসে ইচ্ছা মত রিল্যাক্স করতে পারবেন। অনেক গুলো সৈকত আছে বেশ নাম করা, এগুলোর পরিবেশও অনেক ভাল, যেমন কামালা, কালিম, কাটা নোই এবং নাই হন। এদের আশে পাশে ভাল খাবারের দোকানও আছে।
ফ্রোমথেপ কেপ এর বিখ্যাত বাতিঘর
প্রাকৃতিক দৃশ্য যাদের মুগ্ধ করে এবং যাদের রয়েছে ফটোগ্রাফির অভ্যাস তাঁদের জন্য ফ্রোমথেপ কেপ একটি দারুন গন্তব্য। ফ্রোমথেপ কেপ হল ফুকেটের অন্যতম সেরা একটি ল্যা-মার্ক। এখানে একটি দারুন লাইট হাউস বা বাতিঘরও আছে। এর ভিতরে অনেক পুরনো দিনের বিভিন্ন ঐতিহাসিক সামগ্রি রাখা আছে। এছাড়া বাতিঘরের ভিতর থেকে আশে পাশের দৃশ্য তো দেখতে পাবেনই। চমৎকার এই অভিজ্ঞতা আপনি পেতে পারেন সম্পূর্ণ বিনামূল্যে কারণ বাতিঘরের কোন প্রবেশ মুল্য নেই!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *