করোনায় প্রাথমিকের ১০ প্রধান শিক্ষকসহ ২১ জনের মৃত্যু


মহাকাল প্রতিবেদক :

করোনাভারাইসে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১০ জন প্রধান শিক্ষকসহ ২১ জন শিক্ষকের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে ৫ জন নারী এবং ১৬ জন পুরুষ।

এদের মধ্যে সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছে খুলনা বিভাগে। তবে বরিশাল, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে এখন পর্যন্ত কোনো শিক্ষকের করোনায় মৃত্যু হয়নি। শিক্ষকদের মধ্যে আক্রান্ত হয়েছেন ৭৮৯ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ৪০৬ জন। এছাড়াও চিকিৎসাধীন আছেন আরও ৪৩২ জন শিক্ষক।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিপ্তরের (ডিপিই) ওয়েবসাইটে সর্বশেষ শুক্রবারের করোনা আপডেট থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

এতে দেখা যায়, করোনায় চট্টগ্রামে ছয়জন, ঢাকায় পাঁচজন, খুলনায় আট জন, সিলেটে একজন, রাজশাহীতে একজন শিক্ষকের মৃত্যু হয়েছে। আর বরিশাল, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে সর্বশেষ তথ্যমতে কোনো শিক্ষকের মৃত্যু হয়নি।

ঢাকা বিভাগের মধ্যে মারা যাওয়া শিক্ষকরা হলেন, মুন্সীগঞ্জ সদরের মাঠপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অনিমা রাণী দাস, কিশোরগঞ্জের নিকলীর পূর্ব বড়কান্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাবিবুর রহমান, মাদারীপুর সদরের দুর্গাবর্দী ১ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোহাম্মদ আনিসুর রহমান, ফরিদপুরের সদরপুরের যাত্রাবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নুরুল ইসলাম এবং গুলশানের উদয়ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক খয়বর আলী।

খুলনা বিভাগে মারা যাওয়া শিক্ষকেরা হলেন, কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের পুরাতন আমদহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. মমিনুল ইসলাম। চুয়াডাংগার জীবন নগরের প্রধান শিক্ষক তারিনীবাস সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মো. নুরুল ইসলাম। বাগেরহাটের মোড়লগঞ্জের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সঞ্জিব বসু চৌধুরী। যশোরের বাঘার পাড়ার খানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: আসাদুজ্জামান খান। খুলনা বিভাগের যশোর সদরের নতুন উপশহর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক বিউটি ঘোষ। বাগেরহাটের ফকিরহাটের মাসকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শেখ আব্দুল আজিজ। খুলনা সদরের পূর্ব বয়রা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আল মামুন। বাগেরহাটের সোনাখালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রুমিচা আক্তার।

চট্টগ্রাম বিভাগে মারা যাওয়া শিক্ষকেরা হলেন, চাঁদপুরের শাহরাস্তির রায়শ্রী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ফখরুল ইসলাম। ব্রাক্ষনবাড়িয়ার নবীনগরের ফতেহপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসাম্মৎ রাশিদা আক্তার। হাটহাজারীর চন্দ্রপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক আবদুল কাদের। পাঁচলাইশের বন গবেষণাগার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সালেহ আহম্মেদ। কুমিল্লার দেবিদ্বারে দক্ষিণখার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সোহেল রানা এবং পাহাড়তলীর উত্তর পাহাড়তলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ফারহানা শবনম।

এছাড়াও সিলেটের সুনামগঞ্জের ঘিলাতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. আরশ আলী। রাজশাহী বিভাগের বগুড়ার নন্দীগ্রামের বুড়ইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গোলাম রব্বানী। আর এখন পর্যন্ত বরিশাল, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে কোনো শিক্ষকের মৃত্যু হয়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *