ত্বকের যত্নে : বয়স ধরে রাখতে যাযা করবেন


লাইফস্টাইল ডেস্ক | প্রকাশ: ১৫ ডিসেম্বর ২০২০, ২২:৫০|

কপালের ভাঁজ, দুই গালের হাসির রেখা, চোখের কোণে কুচকানো ত্বক কি ধীরে ধীরে স্পষ্ট হয়ে উঠছে। অর্থাৎ আয়নায় নিজের প্রতিবিম্ব আগের চেয়ে কিছুটা মলিন ও রুক্ষ দেখায়। যদি এমনটা হয়, তবে ধরে নিতে হবে আপনার ত্বক বুড়িয়ে যাচ্ছে। মনের বয়স ধরে রাখার সঙ্গে সঙ্গে ত্বকের বয়সও ধরে রাখা জরুরি। বয়স তো বাড়বেই, তা ধরে রাখা যাবে না। কিন্তু চাইলেই ত্বকের বয়স ধরে রাখা সম্ভব। প্রয়োজন একটু নিয়মিত যত্ন, ধারাবাহিক পদ্ধতিতে।

  • প্রথমেই জানতে হবে ত্বক বুড়িয়ে যাওয়ার উপসর্গগুলো কী কী, যেমন: বলিরেখা, বিবর্ণতা আর দৃশ্যমান লোমকূপ। অনেকের কালো দাগ ছোপ অথবা হাইপারপিগমেন্টেশনের সমস্যা দেখা যায়।
  • ফেনাবিহীন, অ্যালকোহল ও সুগন্ধিমুক্ত কোমল ক্লিনজিং লোশন বা মিল্ক বুড়িয়ে যাওয়া ত্বকের যত্নে সবচেয়ে কার্যকর। তাই সকালের শুরুটা হোক ক্লিনজিংয়ের সঙ্গে। খুব বেশি ঘঁষামাজা না করে ঠান্ডা পানির পরিবর্তে হালকা গরম পানিতে মুখ ধুয়ে নিতে হবে।
  • মাইসেলার ওয়াটারও বুড়িয়ে যাওয়া ত্বক পরিষ্কারে দারুণ কার্যকর। কারণ এগুলো ত্বকের প্রাকৃতিক তেল নষ্ট করে না।
  • হায়ালুরনিক অ্যাসিড, গ্লিসারিন আর অ্যালগির মতো উপাদানগুলো ত্বককোষে পানি ধরে রাখার ক্ষমতা বাড়ায়। তাই ময়েশ্চারাইজার অবশ্যই ব্যবহার করা উচিত। এসপিএফযুক্ত ময়েশ্চারাইজারগুলো রুক্ষতা কমায়।
  • বুড়িয়ে যাওয়া ত্বকে মৃত কোষ জমার মাত্রাও বেশি থাকে। তাই প্রায় প্রতিদিন স্ক্রাব করতে হবে।
  • রাতে পেপটাইডযুক্ত আইক্রিমও মাখতে হবে চোখের পাশে। এগুলো কোলাজেন উৎপাদনের মাত্রা বাড়ায়। ফলে চোখের চারপাশের সংবেদনশীল ত্বক সুন্দর থাকে।
  • সঙ্গে বাড়তি আর্দ্রতার জোগান দিতে হাইড্রেটিং ময়েশ্চারাইজার জরুরি। সবচেয়ে ভালো হয় যদি রেনিটলযুক্ত ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা যায়। এগুলো ত্বকের প্রাকৃতিক লিপিডের মাত্রা বাড়ায়। রাতভর ক্ষতিগ্রস্ত ত্বক সারাইয়ের কাজ করে। ত্বকে আর্দ্রতার মাত্রা বাড়ায়।
  • ক্যামেলিয়া, রোজহিপ, আরগান, জোজোবা, বেকুচোল কিংবা ক্যামোমাইল অয়েলগুলো ছাড়াও প্ল্যান্টবেসড কোলাজেন আছে- এমন ফেসিয়াল অয়েল রুখে দেয় বয়সের ছাপ। নিয়মিত ব্যবহারে ত্বকে কাজ করে জাদুর মতো।
  • বিটা আর আলফা হাইড্রোক্সি অ্যাসিড পিলের মিশ্রণ তৈরি করেও ব্যবহার করা যেতে পারে ঘরে বসেই। যা ত্বকে জমে থাকা মৃত কোষ সরিয়ে দিতে সাহায্য করে।
  • অ্যান্টি-এজিং ফেসিয়ালগুলো এ ধরনের ত্বকে দারুণ উপযোগী। মাইক্রোডার্মাবেশন, বিভিন্ন ধরনের লাইট থেরাপি, এক্সফোলিয়েটিং, কোলাজেন কিংবা গ্লাইকোলিক অ্যাসিড ফেসিয়াল করিয়ে নেয়া যেতে পারে। তবে অভিজ্ঞ কারো সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ করে নিতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *