‘পাবলিক ফিগার মানে পাবলিক প্রোপার্টি নয়’


বিনোদন ডেস্ক | ২০ ডিসেম্বর ২০২০, ২০:০০ |

বলিউড অভিনেত্রী কীর্তি কুলহারি। ‘উড়ি: দ্য সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’, ‘মিশন মঙ্গল’, ‘ইন্দু সরকার’, ‘পিংক’সহ বেশ কিছু সিনেমায় অভিনয় করেছেন।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এই অভিনেত্রী জানান, সামাজিক দায়িত্ববোধকে তিনি চাপ মনে করেন। এই অভিনেত্রী বলেন, ‘যখন কোনো মিডিয়া ব্যক্তিত্ব আমাকে সমাজের কোনো ইস্যু নিয়ে প্রশ্ন করেন সেটি আমার কাছে চাপ মনে হয়। সামাজিক দায়িত্ববোধের বিষয়টি অনেক চাপের। আমরা সবাই মানুষ। প্রত্যেক বিষয়ে আমাদের মতামত দেওয়া জরুরি নয়। মানুষ ভুলে যান যে আমরাও তাদের মতো। সকল বিষয়ে আমার জ্ঞান নেই। আবার সব বিষয়ে আগ্রহও নেই, আমার মতামত নেই। সুতরাং, আমরা অভিনয়শিল্পী অথবা পাবলিক ফিগাররা সবসময় সঠিক কথা বলব এমন প্রত্যাশা কেন করেন? দেশ ও সমাজের সকল বিষয়ে মতামত দেওয়ার দায়িত্ব আমাদের কেন দেওয়া হয়? সকল বিষয়ে আমার মতামত থাকবে তা জরুরি না।’

কীর্তি জানান, তিনি একমাত্র তার কাজের ব্যাপারেই দায়িত্বশীল এবং শুধু এই বিষয়ে উত্তর দিতে পছন্দ করেন। তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি, আমার সবচেয়ে বড় দায়িত্ব অভিনয়, কারণ নিজেকে অভিনেত্রী হিসেবে পরিচয় দিই। আমার কাজ কেমন করছি সেই বিষয়ে আমাকে প্রশ্ন করতে পারেন। অভিনয় নিয়ে প্রশ্ন করাটা ঠিক আছে, কারণ আমি কাজের বিষয়ে দায়িত্বশীল। আমি মনে করি, অভিনয়ের মাধ্যমেই সমাজের দায়িত্ব পালন করছি। যে চরিত্র রূপায়ন করি, যে ধরনের অভিনয় করি— সিনেমার মাধ্যমে সব বলা হয়। তাই সকলের প্রশ্নের জবাব দেওয়া আমার দায়িত্ব না।’

‘ব্ল্যাকমেইল’ সিনেমাখ্যাত এই অভিনেত্রী বলেন, ‘আমার কী করা উচিত নয়, কার পাশে দাঁড়াচ্ছি— ব্যক্তিগত জীবনে আমি এগুলো বিষয়ে চাপ নিই না। আমি নিজের ইচ্ছা মতো সবকিছু করি। কারণ আমার নিজস্ব একটা জীবন আছে। মিডিয়ার উচিত আমাদের এই স্পেসটুকু দেওয়া। পাবলিক ফিগার শব্দের অর্থ আমি জানি। পাবলিক ফিগার মানে পাবলিক প্রোপার্টি নয়। ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক কোনো প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার বিষয়ে আমাদের জোর করা উচিত না।’

কীর্তি অভিনীত পরবর্তী সিনেমা ‘দ্য গার্ল অন দ্য ট্রেন’। বর্তমানে এটির পোস্ট প্রোডাকশনের কাজ চলছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *